Home / Health Care / শারীরিক মিলনে নারীর কষ্টদায়ক সমস্যা ও সমাধান জেনে নিন!

শারীরিক মিলনে নারীর কষ্টদায়ক সমস্যা ও সমাধান জেনে নিন!

বাংলাদেশী মেয়েরা স্বাভাবিক ভাবেই অনেক লাজুক। তারা ছোট ছোট সমস্যাই শেয়ার করতে পারে না আর শারীরিক সমস্যা হলে তো কথাই নেই। মেয়েদের এমন কিছু কষ্টদায়ক সমস্যা নিয়েই সাজিয়েছি আজকের ছোট প্রবন্ধ। বিবাহিত মহিলা ও যারা বিয়ের পায়তারা করছেন তাদের জন্য এটি বিশেষ উপকারী হবে বলেই মনে করছি।

১. মেলামেশার চাহিদা হওয়ার পরেও লুব্রিকেশনের অভাবঃ
অনেকেরই মেলামেশার চাহিদা হওয়া সত্ত্বেও গোপন স্থান ভিজে না। পানিশূন্যতা, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ (কাউন্টার এন্টিহিস্টামিন), নার্সিং, মেনোপজের সময় হরমোন লেভেল পরিবর্তন এর উল্লেখযোগ্য কারণ।

কখন শারীরিক মেলামেশা করলে গর্ভে বাচ্চার জন্ম হয়? জানতে এখানে ক্লিক করুন

চিকিৎসাঃ পিচ্ছিল কারক পদার্থ ব্যবহার করতে হবে, পানি জাতীয় ব্যবহার করলে ভালো। কিন্তু কেউ যদি তৈলাক্ত পিচ্ছিল কারক ব্যবহার করে তখন এটি কনডমের স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট করে দিতে পারে।

২. মেলামেশার চাহিদা কমে যাওয়াঃ
মেনোপজের কাছাকাছি বয়সের মহিলাদের এটি একটি উল্লেখযোগ্য সমস্যা। মেনোপজের আগে ইস্ট্রোজেন হরমোন লেভেল কমে যায়। লুব্রিকেশনের অভাবে ব্যথা ও ব্যথা থেকে আগ্রহ কমে যাওয়া এর প্রধান কারণ।

চিকিৎসাঃ হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি , ইস্ট্রোজেন ক্রিম ও সাপোজিটরি আর লুব্রিকেন্ট (পিচ্ছিল কারক) কাজ দিতে পারে।

৩. শারীরিক মেলামেশার পর প্রস্রাবে জ্বালাপোড়াঃ
চাপে ঘষা লেগে মূত্রনালিতে ইরিটেশন হলে জ্বালাপোড়া হতে পারে। দীর্ঘক্ষণ মিলন আর গোপন স্থানের শুষ্ক ভাবও এর গুরুত্বপূর্ণ কারণ। প্রস্রাব নালীতে ইনফেকশন হলেও এই সমস্যা হতে পারে।

চিকিৎসাঃ শারীরিক মেলামেশার পর বাথ টাব ভর্তি কুসুম গরম পানিতে বসে থাকলে ব্যথা কমতে পারে। তাছাড়া পিচ্ছিল কারক ব্যবহারেও মাঝে মাঝে উপকার পাওয়া যেতে পারে। যদি এসব কিছুতেই লাভ না হয় তবে ডাক্তার দেখাতে হবে কারণ তখন কারণটা ইনফেকশনের দিকেই বেশি ইঙ্গিত করে। পানি বেশি পান করলে পিচ্ছিলতা ও ইনফেকশন থেকে মুক্তি দুইটা জিনিসেই উপকার পাওয়া যায়।

৪. শারীরিক মেলামেশার পর তীব্র দুর্গন্ধ ও চুলকানিঃ
ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে বা একাধিক মিলন সঙ্গীর কারণে এমন হতে পারে। গোপন স্থানের ভেতরে কিছু দেয়া থাকলে ( যেমন চিকিৎসার জন্যে বা রোগ নির্ণয়ে কোন কিছু ব্যবহার করা হলে ) তা থেকেও হতে পারে। এর পাশাপাশি ইনফেকশনের আরও কিছু লক্ষণ থাকতে পারে যেমন অস্বাভাবিক নিঃসরণ, জ্বালাপোড়া। চিকিৎসা না করা হলে ডেট এর আগেই ডেলিভারি হওয়া, স্বল্প ওজনের বাচ্চা জন্ম নিতে পারে।

চিকিৎসাঃ এন্টিবায়োটিক, যেমন- মেট্রোনিডাজল বা ক্লিন্ডামাইসিন ব্যবহারে লাভ হতে পারে। যাদের বাচ্চার জন্মকালীন ওজন কম বা যাদের ডেট এর পূর্বেই সন্তান জন্ম নিয়েছে তাদের স্ক্রিনিং করাতে হবে।

One comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *